Post Office Lakshmir Bhandar: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের খ্যাতি দেশে-বিদেশের ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের ১ হাজার টাকা এবং ১২০০ টাকা মাসিক ভাতা প্রদান করা হয়। এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আদলে ভারতীয় ডাক বিভাগ নতুন এক প্রকল্পের সূচনা করেছেন। যাকে আপনারা ডাক বিভাগের লক্ষী ভান্ডার বলতে পারেন। এই ডাক বিভাগের লক্ষী ভান্ডার মাধ্যমে আপনারা মাসিক ১০,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা পেতে পারেন।
এই টাকা আপনারা কিভাবে পেতে পারেন এই নিয়ে আপনাদের মনে অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে, এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে আমাদের প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখতে হবে। কারন আজকের প্রতিবেদনে আমরা ভারতীয় পোস্ট অফিসের লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি। ডাক বিভাগের লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প কি, এই প্রকল্পে কি কি সুযোগ সুবিধার রয়েছে, কিভাবে আবেদন করবেন প্রভৃতি বিস্তারিত তথ্য নিম্নলিখিত। তাই আগ্রহীরা প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখুন।
লক্ষ্মীর ভান্ডার হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি প্রকল্প, যা ২০২১ সালে চালু হয়েছিল। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো রাজ্যের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। সাধারণ পরিবারের মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি (SC) ও তপশিলি উপজাতি (ST) পরিবারের মহিলাদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়।
পোস্ট অফিস লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পটি হল একটি রেকারিং ডিপোজিট স্কিম। যেখানে গ্রাহকদের প্রতি দিন ৩৩৩ টাকা করে জমা করতে হবে। এই টাকা চক্রবৃদ্ধি হারে বার্ষিক ৫.৮% সুদে রিটার্ন হিসেবে ফেরত পাবেন ১৬ লাখ। আপনি এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাসে ন্যূনতম ১০০ টাকা করেও জমাতে পারেন। রোজ ৩৩৩ টাকা করে জমালে এক বছরে আপনি এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা জমাতে পারবেন। এই পরিমাণ টাকা আপনি যদি ১০ বছরের জন্য জমান তাহলে আপনার মোট জমানো টাকার অংক হবে ১২ লক্ষ টাকা। এর সঙ্গে সুদ হিসেবে আপনারা পাবেন ৪,২৬,৪৭৬ টাকা। অর্থাৎ সুদে-আসলে আপনাদের মোট টাকার অংক দাঁড়াবে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা। এই রেকারিং ডিপোজিট স্কিম আপনারা পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য করতে পারেন। যেখানে আপনারা মান্থলি ইনকাম হিসেবে পাবেন প্রায় ১২ হাজার টাকা।
ভারতীয় পোস্ট অফিস লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পটি ডাকবিভাগ তারা পরিচালিত, তাই এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য আপনাদের নিকটবর্তী ডাক বিভাগে যোগাযোগ করতে হবে। ডাক বিভাগে পৌঁছে দৈনিক ৩৩৩ টাকার রেকারিং ডিপোজিট স্কিম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য একবার জেনে নিন। জেনে নেওয়ার পর প্রকল্পটিতে আবেদনের আগ্রহী হয়ে থাকলে আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুন। এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য আপনাদের ডাক বিভাগ থেকে আবেদনের ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনের নথিপত্র সমেত ডাক বিভাগে জমা করুন। আবেদনপত্র জমা করার কিছু দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমার মাধ্যমে প্রকল্পের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পেয়ে যাবেন।
ডাক বিভাগের লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে আবেদনকারীদের অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। তাই পরিচয় পত্র হিসাবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড থাকতে হবে। আবেদনকারীর সাম্প্রতিক তোলা রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ফটো এবং সিগনেচার আবশ্যিক। ডাক বিভাগের লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে সরাসরি আপনার নিকটবর্তী ডাক বিভাগে যোগাযোগ করতে পারেন।
এবার রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীনের জন্য ফের এক নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ চলে এলো। ইতিমধ্যে জেলা…
রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য ফের দারুণ ঘোষণা। কেননা রাজ্য সরকার এবার NSP অর্থাৎ National Schoolarship Portal…
কেন্দ্র সরকারের অন্যতম প্রকল্পে পেতে পারেন ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন। কোনো গ্যারেন্টার ছাড়াই এই…
আপনি কি একজন চাকরিপ্রার্থী? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ সুসংবাদ। কেননা এবার ফের SSC-র মাধ্যমে…
বর্তমানে অনেকেই রয়েছে যে ঘরে বসে ভালো ইনকাম করতে চাই। তার হাতে নানা আইডিয়া থাকলেও…
এবার পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পর্বতের জন্য রাজ্য সরকার নতুন করে ঢেলে সাজালেও স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম স্কলারশিপ…
This website uses cookies.