WB Birth Certificate Online Apply: বর্তমানে জন্ম সার্টিফিকেট হল সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি জরুরি ডকুমেন্ট। আমরা সকলে জানি জন্মের পরে একটি শিশুকে তার প্রথম সার্টিফিকেট হিসেবে দেওয়া হয় জন্ম সার্টিফিকেট এমনকি অনেকে রয়েছেন যারা জন্মের অনেক সময় পরেও এই সার্টিফিকেটের জন্য এদিক লাইনে দাড়িয়ে থাকেন। যদি কোন কারণবশত এই সার্টিফিকেটে কোনরকম ভুল হয়ে যায় তাহলে কিভাবে এই সার্টিফিকেট সংশোধন করবেন অথবা নতুন করে সার্টিফিকেট কিভাবে বানাবেন আজকের এই প্রতিবেদন শুধু আপনারই জন্য কেননা এখানে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে।
কোন শিশু জন্মের ২১ দিনের মধ্যেই এই সার্টিফিকেট বানানো হয়ে থাকে। যদি কোন শিশু জন্মগ্রহণ করে থাকেন কোন পৌরসভা এলাকায় তাহলে সেখানেই তার আবেদন জমা করতে হয় অথবা গ্রামীণ এলাকায় হলে তার স্বাস্থ্য দপ্তরের অর্থাৎ নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে এর আবেদন করতে হয়। বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক কাছে যথাযথ ডকুমেন্ট দেখাতে হবে।
বর্তমানে জন্ম সার্টিফিকেট নিয়ে নতুন একটি আপডেট এসেছে যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের দিনে যেখানে মানুষ কোন কারণবশত কোন কিছু সার্টিফিকেটে ভুল করলে সেটি সংশোধন করার সুযোগ পেত না অর্থাৎ কেবলমাত্র নাম সংশোধন করার সুযোগ পেত কিন্তু বর্তমানে তার সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু সংশোধনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সরকার কর্তৃক। এক্ষেত্রে জন্মের সময় কোন কারণবশত নাম ভুল দিলে অথবা নাম না দিলে যদি জন্ম সার্টিফিকেট তৈরি করে থাকেন তাহলে তার পরবর্তীতে নাম দিতে পারেন অথবা কোর্টের নির্দেশমতো যে কোন ধরনের পরিবর্তন করতে চাইলে এ সার্টিফিকেট এ করতে পারেন।
বর্তমানে এখন ডিপার্টমেন্ট খুবই করাকরি করেছে জন্ম সার্টিফিকেট নিয়ে। কেননা কিছুদিন আগে জন্ম সার্টিফিকেট ভরে নিয়ে খবর ছড়িয়ে ছিল তারপর থেকেই প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে।এবার থেকে কোন সার্টিফিকেট অরিজিনাল কাগজ ছাড়া দেওয়া হবে না অর্থাৎ প্রার্থী কোনরকম হয়েও ডকুমেন্টস দেখিয়ে জন্ম সার্টিফিকেট বানাতে পারবেন না। এবার যেহেতু সরাসরি অনলাইন মাধ্যমে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাই এক্ষেত্রে দালাল চক্রের কোন জায়গা নেই অর্থাৎ মানুষ সরাসরি গিয়ে এই সুবিধা অনলাইনে মাধ্যমে পেতে পারেন।
যদি আপনি পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট নতুন করতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনাকে আবেদন করার সময় পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট দেখাতে হবে বা তার কপি জমা করতে হবে। যদি আপনি নতুন করে কোন সার্টিফিকেট বানাতে চান তাহলে জন্মের প্রমাণপত্র অর্থাৎ হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট জন্ম প্রমাণ সার্টিফিকেট বা কাগজপত্র জমা করতে হবে। এর পাশাপাশি বাসিন্দা প্রমাণের যাবতীয় ডকুমেন্টস আপনাকে দেখাতে হতে পারে। সঙ্গে পিতা-মাতার জরুরি ডকুমেন্টস থাকতে হবে।
বর্তমানে হাতে লেখা যত পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট রয়েছে তার পরিবর্তে অনলাইন মাধ্যমে জন্ম সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। যদি আপনার পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট থেকে থাকে এবং এখনো পর্যন্ত নতুন করে আবেদন না করে থাকেন তাহলে আর সময় নষ্ট না করে এখনই আবেদন করে নতুন সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে ফেলুন।
বর্তমানে নতুন সার্টিফিকেট খুবই জরুরী কেননা বর্তমান ডিজিটাল ভারতে সমস্ত কিছুই ডিজিটাল এর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে তাই আপনার পণ্য সার্টিফিকেট যেহেতু হাতে লেখা তা কোনভাবেই ডিজিটাল যুগের সঙ্গে তাল মিলাতে পারছে না তাই বর্তমানে ডিজিটাল ভাবে নতুন করে জন্ম সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে এক্ষেত্রে আপনি নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ থেকে শুরু করে পাসপোর্ট তৈরি অথবা আধার কার্ড তৈরির সংস্থা ক্ষেত্রেই এই ডিজিটাল সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে পারেন।
আপনি যে এলাকায় বসবাস করেন সেই এলাকায় অর্থাৎ আপনি যদি ব্লকে বসবাস করেন তাহলে ব্লকের স্বাস্থ্য বিভাগে গিয়ে আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে অথবা আপনি যদি পড়ো সবাই এলাকায় বসবাস করে থাকেন তাহলে পৌরসভা অফিসে গিয়ে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত জেনে নিতে হবে।
এবার রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীনের জন্য ফের এক নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ চলে এলো। ইতিমধ্যে জেলা…
রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য ফের দারুণ ঘোষণা। কেননা রাজ্য সরকার এবার NSP অর্থাৎ National Schoolarship Portal…
কেন্দ্র সরকারের অন্যতম প্রকল্পে পেতে পারেন ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন। কোনো গ্যারেন্টার ছাড়াই এই…
আপনি কি একজন চাকরিপ্রার্থী? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ সুসংবাদ। কেননা এবার ফের SSC-র মাধ্যমে…
বর্তমানে অনেকেই রয়েছে যে ঘরে বসে ভালো ইনকাম করতে চাই। তার হাতে নানা আইডিয়া থাকলেও…
এবার পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পর্বতের জন্য রাজ্য সরকার নতুন করে ঢেলে সাজালেও স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম স্কলারশিপ…
This website uses cookies.