
হাতে রয়েছে পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট? এখন চিন্তায় পড়েছেন কিভাবে হাতে লেখা জন্ম সার্টিফিকেট থেকে ডিজিটাল করবেন? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনে ধাপে ধাপে বিস্তারিত আলোচনা করছি। বর্তমান সময়ে হাতে লেখা কোন ডকুমেন্ট সরকারিভাবে সেভাবে গ্রাহ্য করা হয় না। বিশেষ করে যদি হয় জন্ম সার্টিফিকেট। বিশেষ বিশেষ কাজের ক্ষেত্রে এই জন্ম সার্টিফিকেট ডিজিটাল চাওয়া হয়ে থাকে। তাই সাধারণ মানুষ ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট বানানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে।
স্কুলের নাম তোলা থেকে শুরু করে, নতুন আধার কার্ড কিংবা ভোটার কার্ড বানানো, এছাড়াও পাসপোর্ট বানানো সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়ে থাকে। এক কথায় হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেটের সরকারিভাবে গ্রাহ্যতা অনেকটাই কমে গেছে। বিশেষ করে যাদের পুরনো অর্থাৎ হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট আছে, তারা অফিসে লাইন দিয়েও এখনো পর্যন্ত ডিজিটাল করতে পারছেন না। আজকের প্রতিবেদনে আলোচনা করব কিভাবে ঘরে বসে ডিজিটাল করা যায়।
ডিজিটাল জন্ম সার্টিফিকেট
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট এর প্রয়োজনীয়তা সব থেকে বেশি কেননা এখানে থাকে QR Code যা সহজেই স্ক্যান করে অরিজিনাল তথ্যগুলি পাওয়া যায় এবং যাচাই করতে সুবিধা হয়। তাই বর্তমান যুগের সবাই চাই যে ডিজিটাল কবি যেন হাতে থাকে। পুরনো বার্থ সার্টিফিকেট এর ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা হল যদি হারিয়ে যায় তাহলে পুনরায় পাওয়া খুবই কষ্টকর কিন্তু ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলেও পুনরাই ডাউনলোড করা যায়।
কিভাবে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি করবেন :
প্রথমত আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটার থাকতে হবে। এরপর গুগলে গিয়ে আপনাকে সিআরএস লিখে সার্চ করতে হবে। এরপর আপনার সামনে একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চলে আসবে। সেখানে গিয়ে জেনারেল পাবলিক অপশনে সাইন আপ করতে হবে। এরপর আপনার একটি প্রোফাইল তৈরি করে নিতে হবে। প্রোফাইল সম্পন্ন হওয়ার পরে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হবে। এরপর ওটিপি দিয়ে পুনরায় লগইন করতে হবে।
ধাপে ধাপে পদ্ধতি :
- রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে পুনরায় লগইন করতে হবে।
- লগইন করার পর বার্থ নামে একটি অপশন খুঁজে পাবেন সেখানে ক্লিক করতে হবে।
- এরপর সেখানে একটি অপশন দেখতে পাবেন ‘Add Old Birth Event ‘ সেটিকে নির্বাচন করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত জন্ম সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পূরণ করতে হবে।
সব ঠিকঠাকভাবে পূরণ করার পরে পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে বাবা মায়ের ও পরিচয় পত্র জমা করতে হতে পারে। এরপর সমস্ত তথ্য একবার মিলিয়ে দেখে নিতে হবে। বিশেষ করে জন্ম সংক্রান্ত যে সমস্ত তথ্যগুলি দিচ্ছেন সেই তথ্যগুলি মেনে নিতে হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে সাবমিট করতে হবে।
এছাড়া আর একটি পদ্ধতিতে পুরনো বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করা যায়। আপনার নিকটবর্তী পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে পুরনো সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এটি অনেকটাই সহজ পদ্ধতি এবং কিছুদিনের মধ্যে পাওয়া সম্ভব হয়। ভাই আপনি চাইলে আপনার নিকটবর্তী গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস কিংবা পৌরসভায় গিয়ে নতুন ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট পেতে পারেন।
আমি প্রায় ৫ বছর ধরে কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করছি। শিক্ষা ও চাকরি, সরকারি সুবিধা, দৈনন্দিন ঘোষণা সহ অন্যান্য ধরনের আপডেট সম্পর্কে কন্টেন্ট লিখে থাকি। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খবর পেতে আমাদের সঙ্গে জুড়ে থাকবেন।