WB Govt increasing Allowance: রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সাধারণ জনগণের জন্য একাধিক প্রকল্পের সূচনা করেছেন। বিশেষ করে রাজ্যের মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের চালু করেছেন। মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের এই প্রচেষ্টা।
রাজ্যের মহিলাদের জন্য এই সকল প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হলো লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প। এর মাধ্যমে সাধারণ ঘরের মহিলাদের মাসিক এক হাজার টাকা প্রদান করা হয়। অন্যদিকে তপশিলি জাতি এবং উপজাতির মহিলাদের মাসিক বারোশো টাকা প্রদান করা হয়। আসন্ন বিধানসভা ভোট, আর এই ভোটের প্রাক মুহূর্তে লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধির গুঞ্জন উঠেছে। শোনা যাচ্ছে এবারে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা এক লাফে প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেতে চলেছে। তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষের এক সাম্প্রতিক মন্তব্যে এই ভাতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে। তাই সত্যিই কি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধি পেতে চলেছে? বৃদ্ধি পেলেও ঠিক কত পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে চলেছে? প্রভৃতি বিস্তারিত তথ্য নিয়ে আজকের প্রতিবেদন। তাই যে সমস্ত মা-বোনেরা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন তাদের জন্য প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
লক্ষ্মীর ভান্ডার হলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের একটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, যা বিশেষভাবে মহিলাদের অর্থ-সহায়তা করার জন্য। এই প্রকল্প ২০২১ সালের শুরুর দিকে চালু করা হয়। যার মূল উদ্দেশ্য সংসারে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা বা দরিদ্র পরিবারের মহিলা সদস্যদের মাসিক আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাদের দৈনন্দিন চাহিদা, সংসার পরিচালনা, প্রয়োজনীয় খরচ ইত্যাদিতে সাহায্য করা। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৭৫ জন মহিলা ইতিমধ্যেই ভাতার আওতায় এসেছে। সরকার ২০২৫ এই প্রকল্পের নিয়মিত ব্যয় করছে প্রায় 74,000 কোটি টাকা। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ভাতাভোগী সংখ্যা ২.২০ কোটি ছাড়িয়েছে।
রাজ্যের সে সমস্ত মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডারের আওতায় আসতে পারবেন, তাদের জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে যেমন –
১. আবেদনকারী মহিলাদের পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
২. আবেদনকারীর বয়স নূন্যতম ২৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
৩. আবেদনকারী যদি সংরক্ষণ শ্রেণীর যথা- SC / ST মহিলা হন, তারাও আবেদন যোগ্য।
৪. আবেদনকারীকে সরকারি কর্মী, পেনশনভোগী, বা কোনো নিয়মিত বেতন বা পেনশন পেতে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত থাকলে ভাতার জন্য যোগ্য নয়। অর্থাৎ, যদি যেকোনো সরকারি পদে থাকেন, বার্ডি পেনশন পান, বা অন্য কোনো নিয়মিত আয় হয়, তাহলে আবেদনযোগ্য নয়।
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে যারা আবেদন করতে চান, তারা সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত ‟দুয়ারে সরকার” ক্যাম্পে গিয়ে আবেদন ফর্ম পূরণ করে জমা করতে পারবেন। আবেদন করার সময় প্রয়োজন হবে, পরিচয় পত্র হিসেবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, স্বাস্থ্য-সাথী কার্ড (যদি এটি চালু থাকে), আবেদন কারির ব্যাঙ্ক পাসবুক এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট (জন্মতারিখ, address প্রমাণ পত্র) প্রভৃতি। আবেদন পর ভাতা সাধারণত সরাসরি মেয়ের/মহিলার Aadhaar-linked bank account এর ডিপোজিট হবে।
আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা ভোট, আর এই ভোটের পূর্বে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধির গুঞ্জন উঠেছে। অনেকে মনে করছেন পূর্বের ভোট গুলিতে লক্ষী ভান্ডারের মতো নারীদের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি কারণে রাজ্য সরকার জয়ী হয়েছেন। তাই ২০২৬ ভোটের পূর্বে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধি জল্পনা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যে করেছে। এই মন্তব্য অনুযায়ী এবার থেকে লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের ভাতা বেড়ে ২৫০০ টাকা হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধি নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে কোন বিবৃতি জারি করা হয়নি। লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধি নিয়ে পরবর্তী কোন আপডেট পাওয়া গেলে আপনাদের জানানো হবে।
এবার রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীনের জন্য ফের এক নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ চলে এলো। ইতিমধ্যে জেলা…
রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য ফের দারুণ ঘোষণা। কেননা রাজ্য সরকার এবার NSP অর্থাৎ National Schoolarship Portal…
কেন্দ্র সরকারের অন্যতম প্রকল্পে পেতে পারেন ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন। কোনো গ্যারেন্টার ছাড়াই এই…
আপনি কি একজন চাকরিপ্রার্থী? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ সুসংবাদ। কেননা এবার ফের SSC-র মাধ্যমে…
বর্তমানে অনেকেই রয়েছে যে ঘরে বসে ভালো ইনকাম করতে চাই। তার হাতে নানা আইডিয়া থাকলেও…
এবার পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পর্বতের জন্য রাজ্য সরকার নতুন করে ঢেলে সাজালেও স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম স্কলারশিপ…
This website uses cookies.