সময় যতই পরিবর্তন হচ্ছে, ততই দেশে বুলেট ট্রেন পরিষেবা চালুর প্রত্যাশা আরও বেড়েই চলেছে। প্রযুক্তির দিক থেকে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চলেছে নতুন এক প্রকল্প—এমনটাই মনে করছেন বহু বিশেষজ্ঞরা। আর সেই প্রত্যাশাকে আরও উস্কে দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী Ashwini Vaishnaw, তিনি সম্প্রতি বড় আপডেট দিয়েছেন বুলেট ট্রেন নিয়ে।
এদিন তিনি জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যেই দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন পরিষেবা আংশিকভাবে চালু হওয়ার সম্ভাবনা। শুরু Mumbai–Ahmedabad High-Speed Rail Corridor রুটে চলবে। তবে এখানেই শেষ নয়—বাংলাসহ দেশের আরও বেশ কয়েকটি রুটে এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা আছে অতিদ্রুত।
বাংলায় কি শীঘ্রই ছুটবে বুলেট ট্রেন?
এই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে বেশি ঘুরছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কেন্দ্র সরকার ভবিষ্যতের বুলেট ট্রেন প্রকল্পগুলোকে “মিশন মোডে” এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। অর্থাৎ, কাজ যাতে আর বিলম্ব না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
মুম্বাই-আহমেদাবাদ প্রকল্পের ক্ষেত্রে জমি অধিগ্রহণে দেরির কারণে খরচ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। প্রথমে যেখানে খরচ ধরা হয়েছিল ১.০৮ লক্ষ কোটি টাকা, পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১.৯৮ লক্ষ কোটি টাকায়। এই অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে সরকার এখন আগেভাগেই জমি সংক্রান্ত জটিলতা মেটাতে চাইছে।
সবচেয়ে বড় বাধা ছিল জমি অধিগ্রহণ। সেই সমস্যা কাটাতে এবার নেওয়া হয়েছে নতুন কৌশল। কেন্দ্র, রাজ্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমস্ত অনুমোদন একসাথে নেওয়ার জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।
এই প্রক্রিয়াকে দ্রুত করতে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হচ্ছে, যারা সরাসরি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। এর ফলে ফাইল ঘোরার সময় কমবে এবং প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
২০২৬-২৭ সালের বাজেটে কেন্দ্র সরকার মোট ৭টি নতুন বুলেট ট্রেন করিডোরের ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো Varanasi–Siliguri High-Speed Rail Corridor, যা বাংলাকে সরাসরি দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে।
এই রুটগুলিতে একই ধরনের ডিজাইন ব্যবহার করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে কোচ, সিগন্যালিং এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত কাজ দ্রুত এবং কম খরচে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে রেল কর্তৃপক্ষ এখন প্রি-কাস্ট প্রযুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে আগে থেকেই তৈরি অংশগুলি নির্মাণস্থলে এনে জোড়া লাগানো হয়। ফলে সময় অনেকটাই বাঁচে এবং কাজের গতি বাড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প অনেক দ্রুত শেষ করা সম্ভব।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখানেই—বাংলায় কবে থেকে বাস্তবে কাজ শুরু হবে? যদিও সরকার এখনও নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানায়নি, তবে সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বৈঠক শুরু হতে পারে।
জমি অধিগ্রহণ এবং অনুমোদনের কাজ শেষ হলেই প্রকল্পের নির্মাণ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যদি বাংলায় বুলেট ট্রেন পরিষেবা চালু হয়, তাহলে যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। সময় বাঁচবে, ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে এবং পর্যটন শিল্পেও নতুন গতি আসতে পারে।
বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য শহরের সংযোগ আরও সহজ হয়ে উঠতে পারে বলে অনুমান। এর ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকেও বড় পরিবর্তন হতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে। তৃতীয় পক্ষের…
দেশজুড়ে দ্রুত বাড়ছে ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার। পেট্রোল-ডিজেলের লাগামছাড়া দামের মধ্যে এখন অনেকেই ঝুঁকছেন ইলেকট্রিক ভেহিকেলের…
রাজ্যজুড়ে ক্রমশ বেড়েই চলেছে তাপমাত্রা। সকাল থেকেই অসহ্য গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় নাজেহাল অবস্থা সাধারণ…
রাজ্যে নতুন সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই একের পর এক বড় বড় ঘোষণা সামনে আসছে। এবার…
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বেকার যুবক যুবতীদের জন্য ফের দারুণ সুসংবাদ জানালো রাজ্যের নতুন গ্রাম উন্নয়ন…
Business idea : দিনে দিনে বেকারত্ব যেখানে বেড়েই চলেছে। শুধু তাই নয় পাশাপাশি প্রত্যেক জিনিসের…
This website uses cookies.