Digital Birth Certificate : পুরনো হাতে লেখা জন্ম সার্টিফিকেট এখনও অনেকের কাছেই রয়ে গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সেই কাগজ নষ্ট হয়ে যাওয়া, লেখা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া বা সার্টিফিকেট সঙ্গে নিয়ে ঘোরার সমস্যা তৈরি হয় বা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আর দাম না দেওয়া। এই কারণেই অনেকেই এখন পুরনো বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করে রাখতে চাইছেন।
বিশেষ যাঁদের হাতে এখনও পুরনো বা হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্র রয়েছে, তাঁদের জন্য পুরসভা অফিস বা ব্লক বলা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তা ডিজিটাল রেকর্ডে তোলার ব্যবস্থা রয়েছে রাজ্যের কিছু কিছু জায়গায়। তবে এই পরিষেবা আপনার এলাকার পুরসভায় বা ব্লকে বা পঞ্চায়েতে চালু আছে কি না, আগে জেনে নেওয়া জরুরি।
ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট করতে কী কী লাগবে?
পুরোনো বা হাতে লেখা জন্ম সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি সঙ্গে রাখতে হয়। আবেদন করার সময় সাধারণত নিচের কাগজগুলি চাওয়া হচ্ছে—
- হাতে থাকা পুরনো জন্ম শংসাপত্রের ফটোকপি বা অরিজিনাল
- বাবার আধার কার্ডের কপি
- মায়ের আধার কার্ডের কপি
- বাবার ভোটার আইডি কার্ডের কপি
- মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের কপি
- মোবাইল নম্বর-সহ একটি আবেদনপত্র
অর্থাৎ আবেদন করার আগে পুরনো জন্ম শংসাপত্র এবং বাবা-মায়ের পরিচয়পত্রের প্রয়োজনীয় কপি নিয়ে গেলে কাজটি সহজ হবে।
কোথায় আবেদন করবেন?
এই ধরনের আবেদন সাধারণত সংশ্লিষ্ট পুরসভা বা ব্লক অথবা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে করা যায়। আপনার জন্মের রেকর্ড যে পুরসভা বা স্থানীয় অফিসের আওতায় রয়েছে, সেখানেই আগে যোগাযোগ করা উচিত।
তবে সব পুরসভায় বা ভারপ্রাপ্ত অফিসে একই সময়ে এই পরিষেবা চালু নাও থাকতে পারে। তাই যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অফিসে ফোন করে বা সরাসরি যোগাযোগ করে পরিষেবাটি বর্তমানে চালু আছে কি না জেনে নেওয়াই ভালো।
কীভাবে আবেদন করবেন?
প্রথমে একটি সাদা কাগজে আবেদনপত্র লিখতে পারেন বা সংশ্লিষ্ট অফিস নির্ধারিত ফর্ম ব্যবহার করে। সেখানে আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্যের পাশাপাশি একটি সচল মোবাইল নম্বরও দিতে হবে।
আবেদন পত্রের সঙ্গে পুরনো হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্রের ফটোকপি এবং বাবা-মায়ের আধার ও ভোটার কার্ডের কপি জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তৃপক্ষ নথিগুলি যাচাই করার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
অনলাইনে না পারলে কী করবেন?
অনলাইনে নথি ডিজিটাইজ করার প্রক্রিয়া নিয়ে সমস্যা হলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করা যেতে পারে। বিশেষ করে পুরনো হাতে লেখা সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে স্থানীয় অফিস থেকে প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া সহজ হতে পারে।
তবে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পুরসভার নিয়ম অবশ্যই জেনে নেওয়া দরকার। কোনও কোনও জায়গায় অতিরিক্ত কাগজপত্র বা নির্দিষ্ট ফর্মের প্রয়োজন হতেও পারে।
এই মূহুর্তে কৃষ্ণনগর পুরসভায় শুরু হয়েছে কাজ
উদাহরণ হিসেবে রাজ্যের কৃষ্ণনগর পুরসভায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবার হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাইজ করার কাজ শুরু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবুও আপনি সরাসরি একবার অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করবেন।
সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মীরা ডিজিটাল জন্ম সার্টিফিকেট তৈরির প্রক্রিয়া করছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য পুরসভা বা ভারপ্রাপ্ত অফিসের ক্ষেত্রে নিয়ম বা পরিষেবা চালুর সময় আলাদা হতে পারে।

Bongosathi News Desk হল আমাদের অভিজ্ঞ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্যাক্ট-চেকারদের একটি ডেডিকেটেড টিম। পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, স্কলারশিপ, দৈনন্দিন খবরাখবর এবং সাধারণ মানুষের জন্য দরকারি ট্রেন্ডিং আপডেটগুলো দ্রুত ও সহজ ভাষায় আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই টিমের প্রধান লক্ষ্য। সরকারি নোটিফিকেশন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, তা সঠিকভাবে যাচাই (Fact-Check) করার পরেই আমরা এখানে প্রকাশ করি, যাতে পাঠকরা সবসময় নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পান।





