বাতিল নয় OBC,SC ও ST সার্টিফিকেট। ২০১১ সালের পর বাতিল সার্টিফিকেট মামলায় স্থগিতাদেশ জারি –

By Scheme Expert

Published on:

সুখবর! আপাতত বাতিল নয় রাজ্যের সমস্ত এসসি(SC), এসটি(ST), কিংবা ওবিসি(OBC) কাস্ট সার্টিফিকেট। গত কিছুদিন আগে রাজ্যের সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট বিশেষ করে এসসি, এসটি এবং ওবিসি সার্টিফিকেটগুলিকে পুনর যাচাইয়ের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই বিজ্ঞপ্তির উপর স্থগিতাদেশ দিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। আজকের এই প্রতিবেদনে আরও পড়ুন –

রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে কার সার্টিফিকেটের বৈধতা নিয়ে নানাভাবে নানা রকম সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে ওবিসি (OBC) সার্টিফিকেটের বৈধতা নিয়ে বারবার আদালতে দারস্থ হচ্ছেন অনেকেই। তবে এবার কলকাতা হাইকোর্ট কর্তৃক এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি নিয়ে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল তা আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।

রাজ্য ২০১১ সালের পর তৈরি হওয়া সমস্ত ধরনের এসসি (SC), এসটি(ST) কিংবা ওবিসি(OBC) জাতিগত সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাই করার জন্য সরকারি নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই সরকারি বিজ্ঞপ্তির উপর হাইকোর্ট আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। দীর্ঘদিন পর অনগ্রসর শ্রেণীর কল্যাণ দপ্তরের জারি করা বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তির উপর এই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে আইনি প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আপাতত রাজ্য জুড়ে যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ থাকছে।

 

গত ১৪ মে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলা প্রশাসন গুলিকে নির্দেশ দেয় ২০১১ সালের পরবর্তী সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট গুলি পুনরায় যাচাই করতে হবে। এমনকি এই বিজ্ঞপ্তিতে এও জানানো হয়, যদি কোন সার্টিফিকেট ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা বাতিল করা হবে। এই সিদ্ধান্ত কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

পড়তে পারেন: E Shram Card: ই-শ্রম কার্ডে কী সুবিধা, ৩০০০ টাকা পেনশন কারা পাবেন

 

এই মামলাকালীদের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য শাওয়াল করেন, ‘আইনগত কাঠামো ও নির্দিষ্ট নিয়মকে পাশ কাটিয়ে গণহারে সংসার পত্র বাতিল বা পুনর্ যাচাই করার কোন প্রশাসনিক এখতিয়ার রাজ্য সরকারের নেই’।

 

এদিকে পাল্টা যুক্তি দিয়ে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র জানান, ‘ভোটার কার্ড, সরকারি নথিপত্র কিংবা বংশ তালিকা যাচাই করে ভুল শংসাপত্র বাতিল করার পূর্ণ অধিকার এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা রাজ্য সরকারের রয়েছে। তাই সেই দিক বিবেচনা করে রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ নিতে পারেন বলে রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র উপস্থাপন করেন।

 

কিন্তু দীর্ঘ শোনানির পর ডিভিশন বেঞ্চ মে মাসের বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত করে।শেষে জানাই যে ঢালাওভাবে কিংবা রুটিন মাফিক কোন কাস্ট সার্টিফিকেট পুনর্ যাচাই করা যাবে না। তবে আদালতে এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে হাত পা গুটিয়ে থাকবে না প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: Annapurna Yojana : অন্নপূর্ণা যোজনার অক্টোবরের ৩ হাজার টাকা কবে ঢুকবে? পুজোর আগে কিস্তি নিয়ে কী জানা যাচ্ছে

কলকাতা হাইকোর্ট কর্তৃক এও জানানো হয় যে, যদি কোন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো তথ্য বা জালিয়াতের লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকরা সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। তবে ঢালাওভাবে কাস্ট সার্টিফিকেট বাতিল করা যাবে না বা যাচাই করা যাবে না।